শরিফ আজাদ, উখিয়া
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কালো টাকার ছড়াছড়ি চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৯ এপ্রিল ২য় পর্যায়ে তপশীল ঘোষনার পর থেকে প্রার্থীরা বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, শশ্মন, বিয়ে বাড়ি, মেজবানে আর্থিক ভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের নিজ বাড়িতে ও ক্লাবে, ডেকে নিয়ে আপায়্যনের মাধ্যমে মেনেজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিছু কিছু প্রার্থীরা এলাকায় গিয়ে ভোটারদের বিরানী খাওয়া, বিভিন্ন প্রতিষ্টানে টিউবওয়েল দিতেও দেখা গেছে। নির্বাচনে
নিজেদের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার জন্য এলাকার প্রভাবশালী মোড়লদের বাসায় ডেকে হলুদ খামে টাকা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারদের মন জয় করার জন্য এলাকার অসুস'্য রোগীদের বাড়িতে আপেল আঙ্গুর ও বিভিন্ন ধরনের ফল-ফ্রুট নিয়ে রাতে গিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এলাকার ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রত্যাশার চেয়েও বেশী সহযোগীতা করছে প্রার্থীরা। সচেতন মহলের অভিযোগ প্রার্থীরা এই সহযোগীতা শুধু ভোটের আশায় করছে। ভোটের পরে এ সমস্ত প্রার্থীরা ভোটারদের কোন সাহায্য সহযোগীতায় এগিয়ে আসবে না। উখিয়ার রত্না পালং ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের ভোটার এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ বলেন, যে সমস্ত প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে মাঠে আসে নির্বাচনের পরে তারা অমাবষ্যার চাদ হয়ে যায়। নির্বাচনে পরাজিত হলে ভোটারদের পাশে না থেকে তাদের ব্যক্তিগত ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনার জন্য এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ভোট আসলে লক্ষ লক্ষ কালো টাকা নিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোট প্রার্থণা করে। কালো টাকার মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হয় তাদের আখের গোছানোর জন্য কোন ধরনের সামাজিক উন্নয়ন করা সম্ভব হয়না। দীর্ঘ ১৮ বছর একজন প্রার্থী রত্না পালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে ক্ষমতায় থাকার পরও কোন ধরনের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিচার ব্যবস'ার পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। যার ফলে রত্না পালং ইউনিয়নবাসী যাতায়াত ব্যবস'া, শিক্ষা ব্যবস'া, বিচার ব্যবস'ায় পিছিয়ে রয়েছে। রত্না পালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভোটার ও রত্না পালং ছাত্র সমাজের আহবায়ক মাষ্টার আব্দুল জলিল জানান, মানুষ দীর্ঘ ১৮ বছর একজন প্রার্থীর হাতে ক্ষমতা দিয়ে তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত কোন উন্নয়ন না হওয়ায় শিক্ষিত সমাজ আজ শিক্ষ ব্যবস'া পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস'া পরিবর্তনের জন্য রত্না পালং ইউনিয়নে উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা অতীব জরুরী। এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সৎ, যোগ্যতা সম্পন্ন, শিক্ষিত একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। যে প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক পরিবর্তন করতে পারবে ভোটাররা তাকেই নির্বাচিত করবে। আসন্ন নির্বাচনে যারা কালো টাকার ছড়াছড়ি করছে ভোটাররা তাদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেবে। রাজা পালং ইউনিয়নের ভোটার অহিদুল হক চৌধূরী জানান, যারা বনভূমি দখল, জমি দখল, সরকারী টাকার আত্মসাৎ করেছে এবং আত্মসাৎ কৃত কালো টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছে তাদের আশা রাজাপালংয়ের জনগন পূরণ হতে দেবে না। জলিয়া পালং ইউনিয়নের ভোটার ফরিদুল আলম জানান, এলাকার অধিকাংশ ভোটার অশিক্ষিত। যার ফলে এলাকায় কালো টাকার ছড়াছড়ি অনন্য ইউনিয়নের চেয়ে বেশি হবে। তাই এলাকার শিক্ষিত সমাজকে সচেতন থাকতে হবে। হলদিয়া পালং ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শাহাজাহান জানান, হলদিয়া পালং ইউনিয়নে প্রার্থী বেশি হওয়ায় কালো টাকার ছড়াছড়ি ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে। ভোটারদের অব্যশই সচেতন হয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। উখিয়া নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব জানান, সরকারী বিধিমালার বাইরে যদি কোন কালো টাকাস ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে প্রার্থীতা বাতিল হবে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম আসিফ বিন ইকরাম জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালার বাইরে কোন ধরনের কালো টাকার ব্যবহার এবং কোন ধরনের কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রার্থীর বিরোদ্দে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কালো টাকার ছড়াছড়ি চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৯ এপ্রিল ২য় পর্যায়ে তপশীল ঘোষনার পর থেকে প্রার্থীরা বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, শশ্মন, বিয়ে বাড়ি, মেজবানে আর্থিক ভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের নিজ বাড়িতে ও ক্লাবে, ডেকে নিয়ে আপায়্যনের মাধ্যমে মেনেজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিছু কিছু প্রার্থীরা এলাকায় গিয়ে ভোটারদের বিরানী খাওয়া, বিভিন্ন প্রতিষ্টানে টিউবওয়েল দিতেও দেখা গেছে। নির্বাচনে
নিজেদের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার জন্য এলাকার প্রভাবশালী মোড়লদের বাসায় ডেকে হলুদ খামে টাকা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারদের মন জয় করার জন্য এলাকার অসুস'্য রোগীদের বাড়িতে আপেল আঙ্গুর ও বিভিন্ন ধরনের ফল-ফ্রুট নিয়ে রাতে গিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এলাকার ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রত্যাশার চেয়েও বেশী সহযোগীতা করছে প্রার্থীরা। সচেতন মহলের অভিযোগ প্রার্থীরা এই সহযোগীতা শুধু ভোটের আশায় করছে। ভোটের পরে এ সমস্ত প্রার্থীরা ভোটারদের কোন সাহায্য সহযোগীতায় এগিয়ে আসবে না। উখিয়ার রত্না পালং ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের ভোটার এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ বলেন, যে সমস্ত প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে মাঠে আসে নির্বাচনের পরে তারা অমাবষ্যার চাদ হয়ে যায়। নির্বাচনে পরাজিত হলে ভোটারদের পাশে না থেকে তাদের ব্যক্তিগত ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনার জন্য এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ভোট আসলে লক্ষ লক্ষ কালো টাকা নিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোট প্রার্থণা করে। কালো টাকার মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হয় তাদের আখের গোছানোর জন্য কোন ধরনের সামাজিক উন্নয়ন করা সম্ভব হয়না। দীর্ঘ ১৮ বছর একজন প্রার্থী রত্না পালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে ক্ষমতায় থাকার পরও কোন ধরনের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিচার ব্যবস'ার পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। যার ফলে রত্না পালং ইউনিয়নবাসী যাতায়াত ব্যবস'া, শিক্ষা ব্যবস'া, বিচার ব্যবস'ায় পিছিয়ে রয়েছে। রত্না পালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভোটার ও রত্না পালং ছাত্র সমাজের আহবায়ক মাষ্টার আব্দুল জলিল জানান, মানুষ দীর্ঘ ১৮ বছর একজন প্রার্থীর হাতে ক্ষমতা দিয়ে তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত কোন উন্নয়ন না হওয়ায় শিক্ষিত সমাজ আজ শিক্ষ ব্যবস'া পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস'া পরিবর্তনের জন্য রত্না পালং ইউনিয়নে উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা অতীব জরুরী। এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সৎ, যোগ্যতা সম্পন্ন, শিক্ষিত একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। যে প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক পরিবর্তন করতে পারবে ভোটাররা তাকেই নির্বাচিত করবে। আসন্ন নির্বাচনে যারা কালো টাকার ছড়াছড়ি করছে ভোটাররা তাদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেবে। রাজা পালং ইউনিয়নের ভোটার অহিদুল হক চৌধূরী জানান, যারা বনভূমি দখল, জমি দখল, সরকারী টাকার আত্মসাৎ করেছে এবং আত্মসাৎ কৃত কালো টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছে তাদের আশা রাজাপালংয়ের জনগন পূরণ হতে দেবে না। জলিয়া পালং ইউনিয়নের ভোটার ফরিদুল আলম জানান, এলাকার অধিকাংশ ভোটার অশিক্ষিত। যার ফলে এলাকায় কালো টাকার ছড়াছড়ি অনন্য ইউনিয়নের চেয়ে বেশি হবে। তাই এলাকার শিক্ষিত সমাজকে সচেতন থাকতে হবে। হলদিয়া পালং ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শাহাজাহান জানান, হলদিয়া পালং ইউনিয়নে প্রার্থী বেশি হওয়ায় কালো টাকার ছড়াছড়ি ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে। ভোটারদের অব্যশই সচেতন হয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে। উখিয়া নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব জানান, সরকারী বিধিমালার বাইরে যদি কোন কালো টাকাস ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে প্রার্থীতা বাতিল হবে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম আসিফ বিন ইকরাম জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালার বাইরে কোন ধরনের কালো টাকার ব্যবহার এবং কোন ধরনের কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রার্থীর বিরোদ্দে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন