বার্তা পরিবেশক:
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সিককার পাড়ায় মেজরের ধমক দিয়ে ত্রাস শমসু আলম কর্তৃক ভিটেবাড়ী জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা যায়, হ্নীলা বড় মাদ্রাসা সংলগ্ন সিকদার পাড়ার মরহুম আলী আহমদের পুত্রদের একটি বসত ভিটে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে আলী আহমদের পুত্র মৌলভী আবদুসসালাম স্বপরিবারে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং চলে যায়।তার পৈত্রিক সুত্রেপ্রাপ্ত ১৫শতক বা ৪৫কড়া জমি থেকে অন্যান্য ভাইদের মতে মৌলভী আব্দুসসালাম
ও ২শতক জমি পেলেও মরহুম হাজ্বী নুরুল ইসলামের ওয়ারিশ গন যথাক্রমে শমসুল আলম,শফিক,হামিদা গং ভিটে ছেড়ে দেব বলে বিভিন্ন সময়ে কালক্ষেপন করে । তা নিয়ে স্থানিয় গ্রাম্য আদালত,ইউপিতে বিচার শালিশ ও হয়েছে ।কোন বিচারেই সাই দেয়নি তারা।সর্বশেষ উভয়ের শফিউল্লাহ নামক এক প্রবাসী চাচা মৌলভী আব্দুসসালাম এর ভাগের ভিটে তে কোন প্রকার স্থাপনা না করতে শমসু আলম গং কে নিষেধ করে ।তারা এতে রাজি হয়ে এক ঘরোয়া বৈঠকে তা মানার শর্তে মৌখিক আপোষ হয়।সর্ব শেষ হ্নীলায় সংঘটিত এক অনাকাংকিত ঘটনার পর দুষ্ট চক্র সুযোগ বুঝে দিনে দিনে দোকান নির্মান কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে গতকাল ২৯ মে বিকেলে মৌলভী আব্দুসসালাম ও তার পুত্রগন এতে বাধা দেয়। তখন শমসুল আলম ও তার বোন হামিদা লম্বা দা ও কিরিছ নিয়ে ধাওয়া করে স্বদম্বে বলে উঠে.. আমার (আত্মীয়) শশুর র্যাবের মেজর,পুলিশ তুলিশ আইন-তাইন আমার দরকার নেই।আমি মেজর কে দিয়ে এখন মজা দেখাচ্ছি ! বলে প্রকাশ্যেই গালি গালাজ করে।এব্যাপারে টেকনাফ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।উল্লেখ্য শমসুল আলম এর বিরুদ্ধে ত্রাস সৃষ্টির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সিককার পাড়ায় মেজরের ধমক দিয়ে ত্রাস শমসু আলম কর্তৃক ভিটেবাড়ী জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা যায়, হ্নীলা বড় মাদ্রাসা সংলগ্ন সিকদার পাড়ার মরহুম আলী আহমদের পুত্রদের একটি বসত ভিটে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে আলী আহমদের পুত্র মৌলভী আবদুসসালাম স্বপরিবারে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং চলে যায়।তার পৈত্রিক সুত্রেপ্রাপ্ত ১৫শতক বা ৪৫কড়া জমি থেকে অন্যান্য ভাইদের মতে মৌলভী আব্দুসসালাম
ও ২শতক জমি পেলেও মরহুম হাজ্বী নুরুল ইসলামের ওয়ারিশ গন যথাক্রমে শমসুল আলম,শফিক,হামিদা গং ভিটে ছেড়ে দেব বলে বিভিন্ন সময়ে কালক্ষেপন করে । তা নিয়ে স্থানিয় গ্রাম্য আদালত,ইউপিতে বিচার শালিশ ও হয়েছে ।কোন বিচারেই সাই দেয়নি তারা।সর্বশেষ উভয়ের শফিউল্লাহ নামক এক প্রবাসী চাচা মৌলভী আব্দুসসালাম এর ভাগের ভিটে তে কোন প্রকার স্থাপনা না করতে শমসু আলম গং কে নিষেধ করে ।তারা এতে রাজি হয়ে এক ঘরোয়া বৈঠকে তা মানার শর্তে মৌখিক আপোষ হয়।সর্ব শেষ হ্নীলায় সংঘটিত এক অনাকাংকিত ঘটনার পর দুষ্ট চক্র সুযোগ বুঝে দিনে দিনে দোকান নির্মান কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে গতকাল ২৯ মে বিকেলে মৌলভী আব্দুসসালাম ও তার পুত্রগন এতে বাধা দেয়। তখন শমসুল আলম ও তার বোন হামিদা লম্বা দা ও কিরিছ নিয়ে ধাওয়া করে স্বদম্বে বলে উঠে.. আমার (আত্মীয়) শশুর র্যাবের মেজর,পুলিশ তুলিশ আইন-তাইন আমার দরকার নেই।আমি মেজর কে দিয়ে এখন মজা দেখাচ্ছি ! বলে প্রকাশ্যেই গালি গালাজ করে।এব্যাপারে টেকনাফ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।উল্লেখ্য শমসুল আলম এর বিরুদ্ধে ত্রাস সৃষ্টির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন