ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী:(ইউএনটি)
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবসি'ত দুটি রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বন্ধ দীর্ঘ এক যুগ ধরে। এ রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির থেকে রহস্যজনক কারণে ১৯৯৭ সালের জুলাই মাসের পর থেকে কোন শরনার্থীকে স্বদেশে ( মিয়ানমানরে) ফেরত পাঠায়নি। শরনার্থী শিবিরে উগ্রপন্থী দালাল এনজি ও সংস্থা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের স্বদেশে ফিরতে নিরোসাৎহিত করেছে বলে অভিযোগ করেছে অনেকেই, বরং রোহিঙ্গাদেরকে প্রলোভন দিয়ে এদেশে আরোরোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উৎসাহ যোগাচ্ছে। একটি নির্ভবযোগ্য সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে টেকনাফের নায়পাড়া ও উখিয়া কুতুপালং এ অবসি'ত ২ টি শরনার্থী শিবিরে প্রায় ২২ হাজার রোহিঙ্গা
অবস্থা করেছে। সেই এক যুগ ধরে তাদের প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় তাদের ভাগ্যে কি আছে তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। সংশিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালে হঠাৎ করে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। তখন শরনার্থী অভিযোগ ছিল, মিয়ানমারের সাময়িক সরকার জাতিগত নির্মূল অভিযোনের অংশ হিসাবে আরকান প্রদেশের মুসলিমদের উপর নিপীড়ন শুরু করায় বাচাঁর উদ্দ্যেশে তারা স্ব-পরিবারের এ দেশে আসে। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সরকার শরনার্থীর প্রত্যাবাসনে ঐক্যমত পৌছায়। চুক্তিমতে ১৯৯২ সারের শেষ নাগাদ শরনার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবাসন শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে তা ১৯৯৭ সাল পর্যন- অব্যাহত থাকে। ৭ বছরে প্রায় ২লাখ ২৯হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী স্ব-দেশে প্রত্যাবাসিত হয়। শুরু থেকে জাতিসংঘের উদ্বান' বিষয়ক হাই কমিশন ও রেড ক্রিসেন্ট রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছিল। উভয় সরকারের আলোচনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শরণার্থী প্রত্যাবাসন হয় ১৯৯৪ সালে। যা সংখ্যায় ছিল ৮২ হাজার ৭ শত ৫৩ জন। সবচেয়ে কম শরণার্থী প্রত্যাবাসন হয় ১৯৯৭ সালে। যা সংখ্যায় ছিল মাত্র ২৮৩ জন। স্বেচ্ছায় কেউ চলে যেতে না চাইলে জোর করে প্রত্যাবাসনের কোন নিয়ম না থাকায় বর্তমানে প্রায় ২২ হাজার শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, উক্ত ক্যাম্প ৪/৫ দালাল এনজি ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্ব-দেশে প্রত্যাবাসনে নিরোৎসাহিত করছে। এ এনজিও বিশ্বের বিভিন্ন প্রানে- ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন উগ্রপনি' গ্রুপ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা জঙ্গিবাদে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ কনে অনেকেই। বর্তমানে মিয়ানমারে আরাকান প্রদেশে অভ্যন-রিন কোন জাতিগত সমস্যা না থাকা সত্বেও রোহিঙ্গা শরণার্থীরা প্রত্যাবাসনে না হওয়ার পেছনে রহস্য রয়েছে বলে জানা যায়। শরণার্থীরা যাতে এদেশে থেকে যায় তার জন্য এনজিও গুলো নানামুখি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তারা রোহিঙ্গা যুবকদের বিভিন্ন নাশকতামূলক কার্যক্রমে ব্যবহার করতে প্রশিক্ষন দিচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা ছড়িয়ে ছিটিয়ে স'ায়ী বসবাস নির্মাণ করে অবস্থান করছে। এভাবে এনজিও সংস্থা গুলো রোহিঙ্গাদের এদেশে জিইয়ে রাখার মিশন অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে সীমানে-র উখিয়া সহ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা রোহিঙ্গাদের আবাস ভূমিতে পরিনত হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবসি'ত দুটি রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বন্ধ দীর্ঘ এক যুগ ধরে। এ রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির থেকে রহস্যজনক কারণে ১৯৯৭ সালের জুলাই মাসের পর থেকে কোন শরনার্থীকে স্বদেশে ( মিয়ানমানরে) ফেরত পাঠায়নি। শরনার্থী শিবিরে উগ্রপন্থী দালাল এনজি ও সংস্থা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের স্বদেশে ফিরতে নিরোসাৎহিত করেছে বলে অভিযোগ করেছে অনেকেই, বরং রোহিঙ্গাদেরকে প্রলোভন দিয়ে এদেশে আরোরোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উৎসাহ যোগাচ্ছে। একটি নির্ভবযোগ্য সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে টেকনাফের নায়পাড়া ও উখিয়া কুতুপালং এ অবসি'ত ২ টি শরনার্থী শিবিরে প্রায় ২২ হাজার রোহিঙ্গা
অবস্থা করেছে। সেই এক যুগ ধরে তাদের প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় তাদের ভাগ্যে কি আছে তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। সংশিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালে হঠাৎ করে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। তখন শরনার্থী অভিযোগ ছিল, মিয়ানমারের সাময়িক সরকার জাতিগত নির্মূল অভিযোনের অংশ হিসাবে আরকান প্রদেশের মুসলিমদের উপর নিপীড়ন শুরু করায় বাচাঁর উদ্দ্যেশে তারা স্ব-পরিবারের এ দেশে আসে। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সরকার শরনার্থীর প্রত্যাবাসনে ঐক্যমত পৌছায়। চুক্তিমতে ১৯৯২ সারের শেষ নাগাদ শরনার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবাসন শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে তা ১৯৯৭ সাল পর্যন- অব্যাহত থাকে। ৭ বছরে প্রায় ২লাখ ২৯হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী স্ব-দেশে প্রত্যাবাসিত হয়। শুরু থেকে জাতিসংঘের উদ্বান' বিষয়ক হাই কমিশন ও রেড ক্রিসেন্ট রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আসছিল। উভয় সরকারের আলোচনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শরণার্থী প্রত্যাবাসন হয় ১৯৯৪ সালে। যা সংখ্যায় ছিল ৮২ হাজার ৭ শত ৫৩ জন। সবচেয়ে কম শরণার্থী প্রত্যাবাসন হয় ১৯৯৭ সালে। যা সংখ্যায় ছিল মাত্র ২৮৩ জন। স্বেচ্ছায় কেউ চলে যেতে না চাইলে জোর করে প্রত্যাবাসনের কোন নিয়ম না থাকায় বর্তমানে প্রায় ২২ হাজার শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, উক্ত ক্যাম্প ৪/৫ দালাল এনজি ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্ব-দেশে প্রত্যাবাসনে নিরোৎসাহিত করছে। এ এনজিও বিশ্বের বিভিন্ন প্রানে- ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন উগ্রপনি' গ্রুপ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা জঙ্গিবাদে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ কনে অনেকেই। বর্তমানে মিয়ানমারে আরাকান প্রদেশে অভ্যন-রিন কোন জাতিগত সমস্যা না থাকা সত্বেও রোহিঙ্গা শরণার্থীরা প্রত্যাবাসনে না হওয়ার পেছনে রহস্য রয়েছে বলে জানা যায়। শরণার্থীরা যাতে এদেশে থেকে যায় তার জন্য এনজিও গুলো নানামুখি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তারা রোহিঙ্গা যুবকদের বিভিন্ন নাশকতামূলক কার্যক্রমে ব্যবহার করতে প্রশিক্ষন দিচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা ছড়িয়ে ছিটিয়ে স'ায়ী বসবাস নির্মাণ করে অবস্থান করছে। এভাবে এনজিও সংস্থা গুলো রোহিঙ্গাদের এদেশে জিইয়ে রাখার মিশন অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে সীমানে-র উখিয়া সহ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা রোহিঙ্গাদের আবাস ভূমিতে পরিনত হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন