আবদুর রহিম সেলিম, উখিয়া:
উখিয়ায় সরকারি গোয়েন্দা পরিচয়ে এক আওয়ামীলীগ নেতার কাছ থেকে চাঁদা দাবী, নাজেহাল ও লাঞ্চিত করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পের সদস্য ও সনাক্তকারী আওয়ামীলীগ নেতা সাদেক আলী কোটবাজার রূপালী ব্যাংক শাখায় ৪০০জন শ্রমিকের সনাক্তকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে আসলে গত ৫ মে দুপুর ২ টায় উখিয়া ডিজিএফআই'র
কর্মকর্তা মোজাম্মেল গোয়েন্দা পরিচয় দিয়ে সাদেক আলীর নিকট থেকে চাঁদা দাবী করে। এ সময় আওয়ামীলীগ নেতা সাদেক আলী কিসের চাঁদা জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর না দিয়ে তার গালে জোরে থাপ্পর মারেন বলে অভিযোগ করেন সাদেক আলী। এ ঘটনায় উপস্থিত লোকজন ও ব্যাংক কর্মকর্তারা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ দেখে প্রত্যক্ষদশর্ীরা মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, সে কি মানসিক ভাবে অসুস্থ, নাকি কোন এক সময় রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ছিলেন? এব্যাপারে কক্সবাজার ডিজিএফআই প্রধানের নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ বিন ইকরামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টির ব্যাপারে ডিজিএফআই'র উধর্্বতনকে জানানো হয়েছে। তারা ওই কর্মকর্তার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ঘটনার নায়ক মোজাম্মেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা তদন্ত করতে গেলে তার সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়।
উখিয়ায় সরকারি গোয়েন্দা পরিচয়ে এক আওয়ামীলীগ নেতার কাছ থেকে চাঁদা দাবী, নাজেহাল ও লাঞ্চিত করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পের সদস্য ও সনাক্তকারী আওয়ামীলীগ নেতা সাদেক আলী কোটবাজার রূপালী ব্যাংক শাখায় ৪০০জন শ্রমিকের সনাক্তকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে আসলে গত ৫ মে দুপুর ২ টায় উখিয়া ডিজিএফআই'র
কর্মকর্তা মোজাম্মেল গোয়েন্দা পরিচয় দিয়ে সাদেক আলীর নিকট থেকে চাঁদা দাবী করে। এ সময় আওয়ামীলীগ নেতা সাদেক আলী কিসের চাঁদা জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর না দিয়ে তার গালে জোরে থাপ্পর মারেন বলে অভিযোগ করেন সাদেক আলী। এ ঘটনায় উপস্থিত লোকজন ও ব্যাংক কর্মকর্তারা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ দেখে প্রত্যক্ষদশর্ীরা মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, সে কি মানসিক ভাবে অসুস্থ, নাকি কোন এক সময় রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ছিলেন? এব্যাপারে কক্সবাজার ডিজিএফআই প্রধানের নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ বিন ইকরামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টির ব্যাপারে ডিজিএফআই'র উধর্্বতনকে জানানো হয়েছে। তারা ওই কর্মকর্তার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ঘটনার নায়ক মোজাম্মেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা তদন্ত করতে গেলে তার সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন