|
দূর্গম পাহাড়ী ইউনিয়ন পেকুয়া উপজেলার টৈটং। এ ইউনিয়নে পেকুয়ার অন্যান্য ইউনিয়নের মতো আগামী ৪জুন ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হবে। টৈটং ইউপি নির্বাচনে ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্ধিতা করলেও মূলত লড়াই হবে ত্রিমুখী। প্রার্থীরা রাত দিন প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। মতবিনিময়, গণসংযোগ ও প্রতিদ্বন্দ্ধি প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে টৈটংয়ের জনপদ। বিভিন্ন প্রার্থী এলাকার সমাজ সংস্কার মূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়ে টৈটং ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। তারা প্রতিদিন বিভিন্নভাবে টৈটংয়ের নির্বাচনী মাঠকে উত্তপ্ত রাখার চেষ্টা করছেন। এবারের নির্বাচনে এ ইউনিয়নে
প্রতিদ্বন্দ্ধিতা করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ'লীগের যুগ্ন সম্পাদক মো: শহিদুল্লাহ (আনারস), টৈটং ইউনিয়ন আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী (চশমা), পেকুয়া উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জেড.এম মোসলেহ উদ্দিন (তালা), সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রমিজ আহমদ (দোয়াত কলম), পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা: নুরুল কবির (দেওয়াল ঘড়ি)। দীর্ঘ দিন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে টৈটংয়ের এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত চষে বেড়িয়েছেন আ'লীগ নেতা জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি জানান, এই পাহাড়ি জনপদে সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ প্রতিষ্টা করতে সৎ, যোগ্য ও তরুণ নেতৃত্ব প্রতিষ্টা হওয়া দরকার। বয়সে তরুণ টগবগে হওয়ায় এলাকার অধিকাংশ নতুন ভোটারের রায় তার পক্ষে যাবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে আ'লীগ থেকে আরেকজন শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় নির্বাচনে জয়ী হতে তাকে একটু বেগ পেতে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা। অপরদিকে গত দু বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আ'লীগ নেতা মো: শহিদুল্লাহ এবারের নির্বাচনেও নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পর পর গত দুই নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় টৈটং ইউনিয়নে তার রয়েছে শক্ত অবস্থান। পুরো ইউনিয়নে তার বিশাল আকারের ভোট ব্যাংক রয়েছে। একজন দক্ষ চেয়ারম্যান হিসেবে তার সুনাম ও খ্যাতি দুটিই রয়েছে। তবে সামপ্রতিক সময়ে টৈটংয়ের বালু মহাল নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়ায় তার জনপ্রিয়তায় কিছুটা হলেও ধ্বস নেমেছে বলে মনে করেন টৈটংয়ের তার দলীয় নেতাকর্মীরা। যুবদল নেতা জেড.এম মোসলেহ উদ্দিন একজন দক্ষ সংগঠক। একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে এলাকায় তার রয়েছে ব্যাপক গ্রহন যোগ্যতা। সাবেক চেয়ারম্যান রমিজ আহমদ ও ডা: নুরুল কবিরেরও টৈটংয়ে রয়েছে জনপ্রিয়তা। তবে টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ভোটাররা জানায়, বিভিন্ন দিক বিবেচনা নিলে টৈটং ইউপি নির্বাচনে মূল লড়াইটা জমে উঠবে শহীদ, জাহেদ ও মোসলেম উদ্দিনের মধ্যে। তবে শেষ লড়াইটা দেখতে টৈটং বাসীকে আগামী ৪জুন পর্যন্ত নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন