এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া:
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের এহেছান ও মনোয়ারা বেগমের প্রেমের সম্পর্কের পূর্ণতা পেল বিয়েতে। তবে এ বিয়ে বেশীদিন স্থায়ী হয়নি প্রেমিকার পরিবারের করা সাজানো অপহরন মামলার কারনে।গ্রেফতার এড়াতে পাহাড়ে পালিয়ে থেকে পুলিশের কব্জামুক্ত থাকলেও বাচঁতে পারেনি বন্যহাতির আক্রমন থেকে প্রেমিক স্বামী মো.এহেছান। কোনমতে জীবন রক্ষা করলেও
আক্রমনের ফলে এখন পঙ্গুত্ব জীবনে দিশা হারিয়ে ফেলছে।ওই মামলায় আসামী হয়ে জেলখানার চার দেয়াল দেখেছে তার ভাই জসিম উদ্দিন, বড়বোন ফরিদা বেগম। হয়রানীর নিপীড়ন থেকে বাদ পড়েনি বৃদ্ধ পিতা মোজাহের আহমদ(৬০),ভাই এনামূল হক, বোন জেসমিন আকতার ও নুরুন্নাহার বেগমও।
জানা গেছে,২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর চট্রগ্রামে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নোটারী মুলে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের পুর্বপাড়া পিয়াজ্জাকাটা গ্রামের মোজাহের আহমদের পুত্র মো.এহেছানুল হক ও একই গ্রামের হাজী ইসমাইল আহমদের কন্যা মনোয়ারা বেগম। পরদিন তারা দেড় লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে চট্রগ্রাম উত্তর আগ্রাবাদ ২৪ নং ওয়ার্ড নিকাহ রেজিস্ট্রার কার্যলয়ে ইসলামী শরিয়া মুলে ফের বিয়ে করেন। বিয়েতে বরের বয়স ২৬ ও কনের বয়স ১৯ বলা হলেও বিয়ের একদিন পুর্বে ৯ নভেম্বর চকরিয়া থানায় প্রেমিকার ভাই আবু তাহের মেম্বার বাদী হয়ে স্বামী এহেছানসহ তার পরিবারের ৭ সদস্যের নামে রুজু করেন নাবালিকা অপহনের মামলা। যদিও প্রেমিকা মনোয়ারা সাবালিকা পরিচয়ে স্বইচ্ছায় প্রেমিক এহেছানকে বিয়ে করেছেন বলে নোটারী কাগজপত্রে স্বীকার করে সাক্ষর দিয়েছেন। অথচ স্বামী ও তার পরিবার সদস্যদের মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার ও এলাকাছাড়া করার পর মনোয়ারা বেগমকে স্বামীর বাড়ী থেকে নিয়ে যায় তার স্বজনরা।এ সুযোগে তাকে ৩ মাস পর সাবালক দেখিয়ে ২০০৮সালের ১৫ ফেবূ্রয়ারী নতুন করে বিয়ে দেন লামা উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের হারদারনাশী এলাকার মো.রফিকের পুত্র মো.ওসমান গনীর সাথে। বর্তমানে মনোয়ারা ওই স্বামীর সংসারে এক সন্তানের জননী। কিন্তু এ মামলাটি মনোয়ারার পরিবার প্রত্যাহার না করায় গত ৪ বছর ধরে মামলার ঘানি টানতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়েছে প্রেমিক স্বামী এহেছান ও তার পরিবার। হতভাগা মো.এহেছান এ প্রতিনিধিকে জানান, তার কারনে মামলায় আসামী হয়ে জেলে যাওয়ায় বড়বোন ফরিদা বেগমকে তালাক দিয়েছেন প্রবাসী স্বামী। প্রায় ১৮ বছরের সংসার জীবনে তার বোনের ৪টি সন্তান রয়েছে। মামলার পর পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে বাড়ীর পাশ্বর্ে পাহাড়ে পালিয়ে থাকার সময় বন্যহাতির আক্রমনে শিকার হয়ে এখন পঙ্গু জীবন নিয়ে দুর্বিসহ দিনকাটছে এহেছানের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার এ অবস্থার কারনে পুরো পরিবারের নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। স্বাভাবিক জীবনের দিশা হারিয়ে ফেলেছে তার পরিবার। অভাব অনটনের গ্যাড়াকল থেকে একবার মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন এই হতভাগা। ২০০৯ সালের ১০জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক আবেদন জানিয়ে আর্থিক সহায়তা চেয়ে দরখাসত্মও করেছেন।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে অভাব তার পিছু ছাড়েনি। জীবনের সবকিছু হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে তার এখন একটাই চাওয়া স্ত্রীকে তো আর ফিরে পাবে না।শুধু সহমর্মিতা পেতে চান অন্তত সাজানোর মামলার দায়ভার ও অব্যাহত হয়রানী থেকে।
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের এহেছান ও মনোয়ারা বেগমের প্রেমের সম্পর্কের পূর্ণতা পেল বিয়েতে। তবে এ বিয়ে বেশীদিন স্থায়ী হয়নি প্রেমিকার পরিবারের করা সাজানো অপহরন মামলার কারনে।গ্রেফতার এড়াতে পাহাড়ে পালিয়ে থেকে পুলিশের কব্জামুক্ত থাকলেও বাচঁতে পারেনি বন্যহাতির আক্রমন থেকে প্রেমিক স্বামী মো.এহেছান। কোনমতে জীবন রক্ষা করলেও
আক্রমনের ফলে এখন পঙ্গুত্ব জীবনে দিশা হারিয়ে ফেলছে।ওই মামলায় আসামী হয়ে জেলখানার চার দেয়াল দেখেছে তার ভাই জসিম উদ্দিন, বড়বোন ফরিদা বেগম। হয়রানীর নিপীড়ন থেকে বাদ পড়েনি বৃদ্ধ পিতা মোজাহের আহমদ(৬০),ভাই এনামূল হক, বোন জেসমিন আকতার ও নুরুন্নাহার বেগমও।
জানা গেছে,২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর চট্রগ্রামে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নোটারী মুলে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের পুর্বপাড়া পিয়াজ্জাকাটা গ্রামের মোজাহের আহমদের পুত্র মো.এহেছানুল হক ও একই গ্রামের হাজী ইসমাইল আহমদের কন্যা মনোয়ারা বেগম। পরদিন তারা দেড় লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে চট্রগ্রাম উত্তর আগ্রাবাদ ২৪ নং ওয়ার্ড নিকাহ রেজিস্ট্রার কার্যলয়ে ইসলামী শরিয়া মুলে ফের বিয়ে করেন। বিয়েতে বরের বয়স ২৬ ও কনের বয়স ১৯ বলা হলেও বিয়ের একদিন পুর্বে ৯ নভেম্বর চকরিয়া থানায় প্রেমিকার ভাই আবু তাহের মেম্বার বাদী হয়ে স্বামী এহেছানসহ তার পরিবারের ৭ সদস্যের নামে রুজু করেন নাবালিকা অপহনের মামলা। যদিও প্রেমিকা মনোয়ারা সাবালিকা পরিচয়ে স্বইচ্ছায় প্রেমিক এহেছানকে বিয়ে করেছেন বলে নোটারী কাগজপত্রে স্বীকার করে সাক্ষর দিয়েছেন। অথচ স্বামী ও তার পরিবার সদস্যদের মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার ও এলাকাছাড়া করার পর মনোয়ারা বেগমকে স্বামীর বাড়ী থেকে নিয়ে যায় তার স্বজনরা।এ সুযোগে তাকে ৩ মাস পর সাবালক দেখিয়ে ২০০৮সালের ১৫ ফেবূ্রয়ারী নতুন করে বিয়ে দেন লামা উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের হারদারনাশী এলাকার মো.রফিকের পুত্র মো.ওসমান গনীর সাথে। বর্তমানে মনোয়ারা ওই স্বামীর সংসারে এক সন্তানের জননী। কিন্তু এ মামলাটি মনোয়ারার পরিবার প্রত্যাহার না করায় গত ৪ বছর ধরে মামলার ঘানি টানতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়েছে প্রেমিক স্বামী এহেছান ও তার পরিবার। হতভাগা মো.এহেছান এ প্রতিনিধিকে জানান, তার কারনে মামলায় আসামী হয়ে জেলে যাওয়ায় বড়বোন ফরিদা বেগমকে তালাক দিয়েছেন প্রবাসী স্বামী। প্রায় ১৮ বছরের সংসার জীবনে তার বোনের ৪টি সন্তান রয়েছে। মামলার পর পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে বাড়ীর পাশ্বর্ে পাহাড়ে পালিয়ে থাকার সময় বন্যহাতির আক্রমনে শিকার হয়ে এখন পঙ্গু জীবন নিয়ে দুর্বিসহ দিনকাটছে এহেছানের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার এ অবস্থার কারনে পুরো পরিবারের নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। স্বাভাবিক জীবনের দিশা হারিয়ে ফেলেছে তার পরিবার। অভাব অনটনের গ্যাড়াকল থেকে একবার মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন এই হতভাগা। ২০০৯ সালের ১০জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক আবেদন জানিয়ে আর্থিক সহায়তা চেয়ে দরখাসত্মও করেছেন।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে অভাব তার পিছু ছাড়েনি। জীবনের সবকিছু হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে তার এখন একটাই চাওয়া স্ত্রীকে তো আর ফিরে পাবে না।শুধু সহমর্মিতা পেতে চান অন্তত সাজানোর মামলার দায়ভার ও অব্যাহত হয়রানী থেকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন