সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

চকরিয়া হারবাং পুলিশ ফাড়ির আইসির বিরুদ্ধে ব্যাপক চাদাঁবাজীর অভিযোগ

আবদুল মজিদ,চকরিয়া: 

চকরিয়া উপজেলার হারবাং পুলিশ ফাড়ির আইসি এসআই মোজাম্মেল হকের ব্যাপক চাঁদাবাজীর অভিযোগ উঠেছে। তার চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার সহজ সরল জনসাধারণ। ভোক্তভোগীরা অভিলম্বে তার অপসারণের দাবী জানিয়েছেন। চাদাঁবাজীর কারণে ইতিমধ্যে ওই এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি চরম অবনতি ঘটছে। যেভাবে চলছে অবৈধ মাদক পাচার ও ব্যবসা তেমনী চলছে
চুরি ডাকাতি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, দখল বেদখল ও চাদাঁবাজী।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, ওই আইসি হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদানের পর থেকে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে। হারবাংয়ের বেশিরভাগ পাহাড়ী জনপদে বিচ্ছিন্নভাবে ঘটে যাচ্ছে চুরি ও ডাকাতি। ভূক্তভোগীরা পুলিশকে অভিযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেনা। পাশাপাশি চলছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ছিনতাই, চাদাঁবাজী ও দখল বেদখলের ঘটনা। তাছাড়া হারবাংয়ের বৃহত্ত একটি জনগোষ্টী রাখাইন সম্প্রদায়। ওই সম্প্রদায়ের লোকজন বাংলা মদ উৎপাদন ও পান করে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু তাদের ওই উৎপাদিত মদ পুলিশের টোকেন সহায়তায় একদল মদ পাচারকারী চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। এতে করে এলাকার পরিবেশ অত্যনত্ম ভারি হয়ে উঠছে। স্কুল কলেজ গামী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা বিপদগামী হচ্ছে। যুব সমাজের নৈতিক চরিত্রের অদপতন হচ্ছে। এছাড়া উক্ত আইসি সাথে চোরাকাঠ পাচারকারীদের সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। যার ফলে হারবাংয়ের রিভাজ ফরেষ্টের মূল্যবান বৃৰ কেটে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে চোরকাঠ পাচারকারীরা। আরকান সড়কে ও পেকুয়া সড়কে গাছ বাশের গাড়ী থামিয়ে চাদাঁবাজীতে ব্যাসত্ম থাকে আইসি। কিন্তু এদিকে চুরি ডাকাতির আইন শৃংখলার দিকে তার কোন নজর নেই। এছাড়াও হারবাংয়ে গড়ে উঠা ৩টি ব্রীক ফিল্ড থেকে সে মাসিক চাঁদা আদায় করে থাকে। পুলিশের কাজ হল আইন প্রয়োগ করা, কিন্তু তা না মেনে রাতের বেলায় পুলিশ ফাঁড়িতে বিচারের আসর বসিয়ে বিচারের নামে মোটা উৎকোস আদায় করে যাচ্ছে আইসি মোজাম্মেল। বাদী-বিবাদীকে কৌশলে হুমকি দমকি সহ শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন করারও ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে এ আইসির বিরম্নদ্ধে।, হাইয়েস, মাইক্রোবাস, কার, ট্রাক,পিআআপসহ চলাচলরত যান বাহনে কাগজপত্র ঠিকনাই অজুহাত দেখিয়ে গাড়ী আটকিয়ে চাদাঁবাজী, সহজ সরল ও ধনাঢ্য ব্যাক্তিদেরকে ওয়ারেন্ট আছে উলেস্নখ করে চাঁদাবাজী করারও অভিযোগ উঠেছে।

সূত্রে জানাগেছে, এ আইসি স্বল্প মূল্যে বেতনে চাকুরী করে হাইয়েস, জীপসহ কয়েকটি গাড়ী, বাড়ী ও যায়গা জমির মালিকসহ সম্পদের পাহাড় জমিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি স্বল্প বেতন সত্ত্বেও সে নিজের ব্যবহারের জন্য ল্যান্ডক্রোজার রেখেছে মাসিক ৪৫হাজার ভাড়া দামের। তার এত কিছু আছে কোথ্থেকে। এ আইসি মোজাম্মেল তার বড় ধরণের অফিসার কর্মকর্তা আছে দেখিয়ে নানা ভাবে হুমকি প্রদান করে। সে নাকি চকরিয়া থানা ওসির কমান্ডে চলেনা। সে জেলা পুলিশ সুপারের কমান্ডে চলে বলে একাধিক ব্যাক্তিকে মোখিকভাবে ঘোষণা দেন। তা হলে কেন চকরিয়া থানার নিয়ন্ত্রণাধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে চাকুরী করছেন?।

তারা এধরণের আচরণে ও চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার সহজ সরল জনসাধারণ উধর্্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ পূর্বক অবিলম্বে তার অপসারণ দাবী করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই: