সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

রামুতে স্মরন কালের ভয়াবহ বন্যায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি




এইচবি পান্থ,রামু থেকে :
 রামুতে স্মরন কালের ভয়াবহ বন্যায় বি¯র্তৃন অঞ্চন প্লাবিত হয়েছে।পানি বন্দি হয়ে আছে ছত্রিশ’শ পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক,রামু-মরিচ্যা সড়ক,রশিদনগর-ধলিরছড়া সড়ক,চেইন্দা-রাজারকুল সড়ক,কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক। দূর্গত মানুষ গুলো বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র(সাইক্লোন সেন্টার) এবং উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সব কয়টি স্থানে অথৈ পানিতে তলিয়ে গেছে সবজি ক্ষেত ও বীজ তলা।

            গত তিন দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খরস্রোতা বাকখাঁলী নদীর দু’পাড় উপছে বণ্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে। পাহাড় ধ্বসে মিনহাজুল আবেদীন নামে এক শিশু নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও গত ১৯ জুলাই বাকঁখালী নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারায় নজিবুল আলম (২৪)নামের এক ব্যক্তি।অব্যাহত ভারি বর্ষনে বেশীর ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন ক্লাস চলেনি,হাট-বাজার গুলোতে কোন বিকিকিনি হয়নি।
জানা যায়, প্রবল বর্ষণে কক্সবাজার জেলার প্রধান নদী বাঁকখালীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল ২০ জুলাই বুধবার সকালে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের পশ্চিম মনিরঝিল দরগাহ পাড়ার নুরুল হকের এক বছরের শিশু পুত্র মিনহাজুল আবেদীন পাহাড় ধ্বসে  প্রান হারায়। এসময় শিশুটির মা ছেনুয়ারা বেগমও (৩০) গুরুতর আহত হয়।
 তাছাড়াও গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গর্জনীয়া ইউনিয়নের ক্যাজরবিল এলাকায় বাঁকখালী নদীতে গরু নিয়ে পারাপারের সময় নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারায় নজিবুল আলম (২৪) নামের এক ব্যক্তি। সে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ডিকপাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ শফির পুত্র।
পাহাড়ী ঢলে পানি বন্দি হয়ে পড়ায় আলহাজ্ব ফজল আম্বিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ফজল আম্বিয়া কেজি স্কুেলর ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত হয়। ফলে কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার থেকে স্কুলের ছুটি ঘোষনা করেন। এছাড়া রামু ফকিরা বাজারসহ উপজেলার রাজারকুল, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, কাউয়ারখোপ,রশিদনগর,খুনিয়া পালং,চাকমারকুল, ফতেখাঁরকুল, জোয়ারিয়ানালা, গর্জনীয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। বাঁকখালী নদীর পানি বাড়তে থাকায় রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মঈশকুম এলাকা, রামু-মরিচ্যা সড়কের ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের অফিসেরচর এলাকা, চেইন্দা-রাজারকুল সড়ক ,কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রামুর চেইন্দা এলাকা প্লাবিত এবং কালীর ছড়া খালের পানি বৃদ্ধি পেয়ে রশিদনগর-ধলিরছড়া সড়কের লামার পাড়া এলাকার চারটি স্থান ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এছাড়া ওই ইউনিয়নের থলিয়া ঘোনার স্লুইস গেইট এলাকার বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে যায়।সকালে রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল এবং রামু ইউএনও শহীদ মোহাম্মদ ছাইদুল হক একটি যান্ত্রিক নৌকা যোগে রামুর বিভিন্ন র্দূগত এলাকা পরিদর্শন করে পানি বন্দিদের শুকনো খাবার বিতরণ করছেন।রাত সাড়ে ৮টায় এ রির্পোট লেখাকালীন সময়ে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই: