ইউএনটি
কক্সবাজারের চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা চলাকালে পুলিশের গুলিতে স্কুলছাত্র আবিদুল ইসলাম মারা যাওয়ার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার রাতে কক্সবাজার সদর থানার নিয়ন্ত্রণাধীন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল হক বাদী হয়ে মামলাটি
দায়ের করেন। মামলার বাদী নির্বাচনের দিন কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে করা এ মামলায় আসামি হয়েছেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী কেশব কুমার পাল ও তার নির্বাচনী এজেন্ট রাবাতুল মাওনসহ ওই প্রার্থীর অজ্ঞাত ৪০০ কর্মী-সমর্থক।
মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন দৈনিক আজাদীকে জানান, নিহত আবিদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার রাতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, পুলিশ ইচ্ছে করে গুলি করেনি, পরাজিত প্রার্থীর উচ্ছৃঙ্খল কর্মী-সমর্থকেরা ব্যালটভর্তি বস্তা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিদের্শ পালন করতে গিয়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
সরজমিন গতকাল প্রপার কাকারায় গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশের গুলিতে স্কুলছাত্র আবিদ মারা যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। থানায় মামলা দায়েরের পর পরাজিত প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকেরা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
এদিকে গতকাল রবিবার দুপুরে কাকারা শাহ ওমর (রা.) মাজার চত্বরে নিহত স্কুলছাত্র আবিদের নামাজে জানাজা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়। আবিদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এলাকাবাসী জানায়, ভোটার না হলেও বাড়ির পাশে ভোটকেন্দ্র হওয়াতে আবিদের মাঝেও ভোট উৎসবের আমেজ ছিল। এদিন কেন্দ্রের কাছে রাস্তার ধারে সঙ্গীদের নিয়ে সেও অবস্থান করছিল। কিন্তু হঠাৎ করে একটি গুলি এসে পিঠে লাগলে আবিদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।’
কাঁদতে কাঁদতে আবিদের কৃষক পিতা বেদারুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে ভোটারও নয়, সন্ত্রাসীও নয়। তারপরেও পুলিশ কেন তাকে গুলি করে মারল। এই বিচার আমি একমাত্র আল্লাহর কাছেই দিলাম।
উল্লেখ্য, গত শনিবার কাকারা ইউপি’র নির্বাচনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিকে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর লোকজন ব্যালটভর্তি বস্তা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গুলিতে পঞ্চম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র আবিদসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবিদ মারা যায়। আহতরা বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।a
সূত্র:আজাদী
কক্সবাজারের চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা চলাকালে পুলিশের গুলিতে স্কুলছাত্র আবিদুল ইসলাম মারা যাওয়ার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার রাতে কক্সবাজার সদর থানার নিয়ন্ত্রণাধীন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল হক বাদী হয়ে মামলাটি
দায়ের করেন। মামলার বাদী নির্বাচনের দিন কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে করা এ মামলায় আসামি হয়েছেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী কেশব কুমার পাল ও তার নির্বাচনী এজেন্ট রাবাতুল মাওনসহ ওই প্রার্থীর অজ্ঞাত ৪০০ কর্মী-সমর্থক।
মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন দৈনিক আজাদীকে জানান, নিহত আবিদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার রাতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, পুলিশ ইচ্ছে করে গুলি করেনি, পরাজিত প্রার্থীর উচ্ছৃঙ্খল কর্মী-সমর্থকেরা ব্যালটভর্তি বস্তা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিদের্শ পালন করতে গিয়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
সরজমিন গতকাল প্রপার কাকারায় গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশের গুলিতে স্কুলছাত্র আবিদ মারা যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। থানায় মামলা দায়েরের পর পরাজিত প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকেরা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
এদিকে গতকাল রবিবার দুপুরে কাকারা শাহ ওমর (রা.) মাজার চত্বরে নিহত স্কুলছাত্র আবিদের নামাজে জানাজা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়। আবিদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এলাকাবাসী জানায়, ভোটার না হলেও বাড়ির পাশে ভোটকেন্দ্র হওয়াতে আবিদের মাঝেও ভোট উৎসবের আমেজ ছিল। এদিন কেন্দ্রের কাছে রাস্তার ধারে সঙ্গীদের নিয়ে সেও অবস্থান করছিল। কিন্তু হঠাৎ করে একটি গুলি এসে পিঠে লাগলে আবিদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।’
কাঁদতে কাঁদতে আবিদের কৃষক পিতা বেদারুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে ভোটারও নয়, সন্ত্রাসীও নয়। তারপরেও পুলিশ কেন তাকে গুলি করে মারল। এই বিচার আমি একমাত্র আল্লাহর কাছেই দিলাম।
উল্লেখ্য, গত শনিবার কাকারা ইউপি’র নির্বাচনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিকে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর লোকজন ব্যালটভর্তি বস্তা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গুলিতে পঞ্চম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র আবিদসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবিদ মারা যায়। আহতরা বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।a
সূত্র:আজাদী
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন