এম. কফিল উদ্দিন,পেকুয়া:
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়া জেটিঘাটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ রাতের আধাঁরে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দূর্বৃত্তরা। জেটিঘাটের সাথে লাগানো বিভিন্ন এঙ্গেল,ঘাটে যাতায়াতের রাস্তার ইট খুলে নিয়ে তা বিক্রি করে দিচ্ছে স্থানীয় কিছূ উচ্ছৃঙ্খল যুবক। জানা যায়, গত বি,এন,পি-জামাত জোট সরকারের
আমলে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পেকুয়া ও বদরখালীর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষে ভোলা খালের উপর ছিরাদিয়া-বাংলাবাজার মধ্যে জেটিঘাটটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ২/৩ বছর যেতে না যেতেই স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক জেটিঘাটটির ধ্বংসযঙ্গে নেমে পড়ে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, জেটিঘাটটির দেখভাল করার কোন লোক না থাকায় স্থানীয় কিছু মাদকাসাক্ত যুবক প্রতি রাতেই ঘাটের উপর বসে মাদক সেবন করে। মাদক সেবনের পর তারা যাওয়ার সময় ঘাটের বিভিন্ন এঙ্গেল, জেটিঘাটের যাতায়তের রাস্তার ইট খুলে নিয়ে যায়। ইউছুফ রুবেল, বেলালসহ স্থানীয় এলাকাবাসী আরো জানায়, ঘাটের বিভিন্ন এঙ্গেল চুরি যাওয়াতে জেটিঘাটটি এখন নড়বড়ে হয়ে গেছে। যে কোন মহুর্তে ধ্বসে পড়তে পারে বলেও তারা আশংকা করছেন। এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মমতাজুল ইসলাম জানান, রাতে এঙ্গেল চুরির সময় কয়েক যুবককে ধরে শাস্তি দেওয়া হলেও থেমে নেই এঙ্গেল ও ইট চুরি। এদিকে ছিরাদিয়া গ্রামটি দূর্গম এলাকা হওয়ায় ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুকের কারণে থানা প্রশাসন রাতে পেট্রোল ডিউটিতে এ গ্রামে আসেনা বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী দ্রুত পাহারাদার নিয়োগ করে মূল্যবান ছিরাদিয়া জেটিঘাটটি রক্ষা করার দাবী জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে।কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়া জেটিঘাটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ রাতের আধাঁরে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দূর্বৃত্তরা। জেটিঘাটের সাথে লাগানো বিভিন্ন এঙ্গেল,ঘাটে যাতায়াতের রাস্তার ইট খুলে নিয়ে তা বিক্রি করে দিচ্ছে স্থানীয় কিছূ উচ্ছৃঙ্খল যুবক। জানা যায়, গত বি,এন,পি-জামাত জোট সরকারের
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন