সর্বশেষ সংবাদ

আপনার প্রিয় উখিয়া নিউজ শীঘ্রই নতুন নামে আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে...UNC............ www.ukhianews.com

মহেশখালী ঘটিভাঙ্গা-সোনাদিয়া ব্রীজ :সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ ৬ মাস ধরে বন্ধ : জন দূর্ভোগ চরমে



আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী:

মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা- সোনাদিয়া সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ গত ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে গত ২০০৬ সালে প্রায় ৫কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত দুইটি ব্রীজ সংযোগ সড়কের অভাবে জনগনের কাজে আসছেনা। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ও উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, নির্মাণ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার মাটির পরিবর্তে বালি দিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ করার অভিযোগে গত বছর মার্চ মাসে বেশ কয়েকবার নোটিশ দেওয়া হলেও
কোন কাজ হয়নি। ফলে বালি দিয়ে নির্মাণ করা সংযোগ সড়ক গত বছর জুন ও জুলাই মাসে বিলিন হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাংগা-সোনাদিয়ার ব্রিজের সংযোগ সড়কের কাজ ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়। আর নির্মাণ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার নির্মাণ কাজের শুরুতেই কাজের ধীরগতির পাশাপাশি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ মাটির পরিবর্তে বালি দিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ করে আসছে। এলাকার লোকজন নিম্নমানের কাজে বাধা দিলেও ঠিকাদার বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে নেন। মাটির পরিবর্তে বালি দিয়ে সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই গত বছর জুন ও জুলাই মাসে তা আবার সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। পরে কিছু দিন কাজ করলেও গত বছর নভেম্বর মাস থেকে ওই সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে সোনাদিয়ার প্রায় ১০ হাজার লোকজন নৌকা দিয়ে যাতায়ত করতে নানা দূভের্াগের কবলে পড়ছে।

কুতুবজোম ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা শফিউল আলম বলেন, মাটি না দিয়ে শুধু বালি দিয়ে সংযোগ সড়ক করার দুই মাসের মধ্যে তা সাগরে বিলীন হয়েছে। ফলে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি হয়েছে। তিনি বলেন, সোনাদিয়া এলাকার জনগণ যাতায়তের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দুইটি ব্রীজ হলেও গত চার বছর ধরে তা জনগনের কোন কাজে আসছে না।

উপজেলা প্রকৌশলী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা-সোনাদিয়ায় গত ২০০৬ সালে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। এর পর ঘটিভাংগা ব্রীজের সংযোগ সড়কের জন্য স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর(এলজিইডি) গত ২০০৯ সালের জুলাই মাসে প্রায় ৭৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। আর উক্ত সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজের দায়িত্বপান ঠিকাদারি প্রতিষ্টান মেসার্স আবুল কাসেম কনক্ট্রাকশন। নির্মাণ কাজ গত বছর জুন মাসের মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু এক বছরের নির্মাণ কাজ এখনো শেষ করেনি।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) এটিএম কাউসার হোসেন বলেন, বালি দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করার দুই মাসের মধ্যে তা সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে মাটি ও পাশে গাইড ওয়াল দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।



ছবির ক্যাপশনঃ- মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা-সোনাদিয়ায় বালি দিয়ে নির্মানাধীন সংযোগ সড়কটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে, সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে ঘটিভাঙ্গা ব্রীজটি।

কোন মন্তব্য নেই: