শামীম সরওয়ার :
কক্সবাজারে বিতর্কিত এনজিও সংস্থাদের তৎপরতায় বিদ্রোহী রোহিঙ্গারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা ইসু্যকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও লন্ডন ভিত্তিক বির্তকিত বেশ কিছু এনজিও কাজ করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা বিদ্রোহীদের সহযোগিতা করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। যার কারনে রোহিঙ্গা উদ্ভাস্তুরা সীমানত্দের সকল বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে ককসবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন বনঞ্চল ও লোকালয়ে অবস্থান করেছে। এম,এস,এফ হল্যান্ড, মুসলিম এইড সহ বিভিন্ন এনজিও ও বিদ্রোহী রোহিঙ্গা সংগঠনের পলাতক আমর্স ক্যাডার ও তাদের গ্রুপ লীডারগণদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। এসব বিদ্রোহী রোহিঙ্গা সংগঠনের অর্থের যোগানদাতা দেশে জঙ্গী তৎপরতার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রতিষ্ঠান একই মুদ্রার এপিট ওপিট বলে দাবী করেছেন প্রগতিশীল দেশ প্রেমি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সমূহের সচেতন ব্যক্তিবর্গ।
জানা যায়, ৮০ দশকে দেশে প্রথম রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সূত্রপাত ঘটে। তখন থেকে বাংলাদেশের গহীন অরন্যের বিভিন্ন স্থানে আর্মস ট্রেনিং চলে। এক পর্যায়ে সরকারী পৃষ্টপোষকতা পেয়ে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের তৎপরতা ও অবাধে অস্ত্র প্রদর্শন এবং অপরাধ প্রবনতা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। যা পরবতর্ীতে দমন করতে সরকারকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের ব্যানারে আফগান ট্রেনিং নিয়ে মুজাহিদ বাহিনী গঠন, স্বাধীন আরকার রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বিশ্ব মুসলিমদের মাঝে লাদেনের আদর্শ ছড়িয়ে দেয়া, আত্মঘাতি জঙ্গী তৈরী করণ সহ ইত্যাদি কর্মকান্ডের ভিত্তি তৈরী হয়েছিল তৎকালীন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের ছত্রছায়ায়। শুধু তাই নয়, শাইখ আবদুর রহমান, বাংলা ভাই সহ শীর্ষ জঙ্গী নেতারাই আফগান ফেরৎ হয়ে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের কমর্ী ও এদেশের ধমর্ীয় রাজনৈতিক সংগঠনের পৃষ্ট পোষকতায় দেশে প্রথম জঙ্গী তৎপরতার উন্মেষ ঘটে সীমান্ত অঞ্চল কক্সবাজার বান্দরবানের গহীন অরণ্যের বিভিন্ন স্পটে। যা পরবতর্ীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। নিষিদ্ধ ঘোষিত রোহিঙ্গা সংগঠনের অন্যতম সংগঠক প্রফেসর জকরিয়া, ডাঃ জয়নাল, ডাঃ ইউনুস এরা সহ প্রায় সহস্রাধিক রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের কমর্ী আগমন করেছেন। এদিকে টেকনাফ থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যন্ত সীমান্ত অঞ্চল অরক্ষিত থাকায় বিদ্রোহীরা আবারও পূর্ণদ্যোমে শক্তি সঞ্চয় করে মাঠে নামার সামগ্রিক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
কক্সবাজারে বিতর্কিত এনজিও সংস্থাদের তৎপরতায় বিদ্রোহী রোহিঙ্গারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা ইসু্যকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও লন্ডন ভিত্তিক বির্তকিত বেশ কিছু এনজিও কাজ করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা বিদ্রোহীদের সহযোগিতা করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। যার কারনে রোহিঙ্গা উদ্ভাস্তুরা সীমানত্দের সকল বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে ককসবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন বনঞ্চল ও লোকালয়ে অবস্থান করেছে। এম,এস,এফ হল্যান্ড, মুসলিম এইড সহ বিভিন্ন এনজিও ও বিদ্রোহী রোহিঙ্গা সংগঠনের পলাতক আমর্স ক্যাডার ও তাদের গ্রুপ লীডারগণদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। এসব বিদ্রোহী রোহিঙ্গা সংগঠনের অর্থের যোগানদাতা দেশে জঙ্গী তৎপরতার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রতিষ্ঠান একই মুদ্রার এপিট ওপিট বলে দাবী করেছেন প্রগতিশীল দেশ প্রেমি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সমূহের সচেতন ব্যক্তিবর্গ।
জানা যায়, ৮০ দশকে দেশে প্রথম রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সূত্রপাত ঘটে। তখন থেকে বাংলাদেশের গহীন অরন্যের বিভিন্ন স্থানে আর্মস ট্রেনিং চলে। এক পর্যায়ে সরকারী পৃষ্টপোষকতা পেয়ে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের তৎপরতা ও অবাধে অস্ত্র প্রদর্শন এবং অপরাধ প্রবনতা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। যা পরবতর্ীতে দমন করতে সরকারকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের ব্যানারে আফগান ট্রেনিং নিয়ে মুজাহিদ বাহিনী গঠন, স্বাধীন আরকার রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন বিশ্ব মুসলিমদের মাঝে লাদেনের আদর্শ ছড়িয়ে দেয়া, আত্মঘাতি জঙ্গী তৈরী করণ সহ ইত্যাদি কর্মকান্ডের ভিত্তি তৈরী হয়েছিল তৎকালীন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের ছত্রছায়ায়। শুধু তাই নয়, শাইখ আবদুর রহমান, বাংলা ভাই সহ শীর্ষ জঙ্গী নেতারাই আফগান ফেরৎ হয়ে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের কমর্ী ও এদেশের ধমর্ীয় রাজনৈতিক সংগঠনের পৃষ্ট পোষকতায় দেশে প্রথম জঙ্গী তৎপরতার উন্মেষ ঘটে সীমান্ত অঞ্চল কক্সবাজার বান্দরবানের গহীন অরণ্যের বিভিন্ন স্পটে। যা পরবতর্ীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। নিষিদ্ধ ঘোষিত রোহিঙ্গা সংগঠনের অন্যতম সংগঠক প্রফেসর জকরিয়া, ডাঃ জয়নাল, ডাঃ ইউনুস এরা সহ প্রায় সহস্রাধিক রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠনের কমর্ী আগমন করেছেন। এদিকে টেকনাফ থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যন্ত সীমান্ত অঞ্চল অরক্ষিত থাকায় বিদ্রোহীরা আবারও পূর্ণদ্যোমে শক্তি সঞ্চয় করে মাঠে নামার সামগ্রিক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন